ফরেক্স আগ্রহীদের ট্রেইন করার জন্যে আরেকবার গোঁড়া থেকেই শুরু করলাম। নিচে প্রশ্ন-উত্তরের মাধ্যমে ফরেক্স সম্পর্কে ধারণা দিলাম। একটু হয়ত লেখাটা বড় হয়ে গেছে কিন্তু নতুন হিসেবে আপনার যা যা দরকার সব দিলাম। কষ্টকরে লিখেছি, আশাকরি পড়বেন।
১) ফরেক্স কি?
উত্তরঃ ফরেন এক্সচেইঞ্জ (Foreign Exchange) এর সংক্ষিপ্তরুপ হচ্ছে ফরেক্স। ফরেক্স ট্রেডিং এ আমরা ফরেন কারেন্সি কেনা-বেচা করবো অনলাইনে।
২) ফরেক্স ট্রেডিং করতে কি কি লাগবে?
উত্তরঃ ফরেক্স ট্রেডিং করতে হলে, প্রথমেই একটা ব্রোকার এর আন্ডার এ আপনাকে একটা একাউন্ট করতে হবে। একাউন্ট অবশ্যই ভেরিফাইড করে নিতে হবে। একাউন্ট ভেরিফিকেশন এর জন্যে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড এর স্ক্যান কপি এবং এড্রেস ভেরিফিকেশনের জন্যে বিদ্যুৎ বিল অথবা ব্যাংক স্টেট্মেন্ট এর স্ক্যান কপি লাগবে। বিদ্যুৎ বিল অথবা ব্যাংক স্টেট্মেন্ট অবশ্যই একাউন্ট যার নামে করা হবে তার নামে থাকতে হবে। যদি নিজের নামে বিদ্যুৎ বিল অথবা ব্যাংক স্টেট্মেন্ট না থাকে তাহলে বাবা-মা-ভাই-বোন যার নামে বিদ্যুৎ বিল অথবা ব্যাংক স্টেট্মেন্ট আছে তার নামেও একাউন্ট করা যাবে। একাউন্ট ভেরিফাই না করলে ট্রেড করা যাবে থিকই কিন্তু ডলার উইথড্র দেয়া যাবে না।
দ্বিতীয়ত লাগবে, একটা পিসি অথবা ল্যাপটপ। চাইলেই আপনি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইল দিয়েও ট্রেড করতে পারেন কিন্তু ট্রেড করার আগে যে একটু এনালাইসিস করতে হয় তা আপনি মোবাইলে করতে পারবেন না। আপনাকে ল্যাপটপ বা পিসি'র সাহায্য নিতেই হবে। আর লাগবে "MT4" trading software যা আপনি আপনার ব্রোকারের ওয়েব পেজ থেকে ডাউনলোড দিয়ে ইনস্টল করে নিবেন। এন্ড্রয়েড এর জন্যে গুগল এপস এই পাবেন। তারপর, ইনস্টল দিয়ে আপনার ইমেইল-এ আপনার ব্রোকারের পাঠানো লগইন ডিটেইলস দিয়ে লগইন করে ফেলুন।
একটা ব্রোকার এর আন্ডার এ একাউন্ট করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে, ব্রোকারটি যেন Low Spread ব্রোকার হয়। Low Spread মানে হচ্ছে যে ব্রোকার আপনার থেকে সর্বনিম্ন পরিমান কমিশন নিয়ে থাকে প্রতি ট্রেডে। ব্রোকার ভেদে কমিশন কম-বেশি হয়ে থাকে। একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন, একটা ব্রোকারের লাভ হয় আপনার থেকে কমিশন নিয়ে। আর সেটা সে নিয়ে থাকে "পিপস" হিসেবে। উদাহরনস্বরুপঃ আপনি একটা কারেন্সি পেয়ার এ ট্রেড করলেন, বায়/সেল যেকোন একটা দিলেন, খেয়াল করবেন ট্রেডটা শুরুই হয় মাইনাস ব্যালান্স দিয়ে, আর ওইটাই ব্রোকার আপনার থেকে অগ্রিম নিয়ে নেয়, আপনি লাভ করুন বা নাই করুন। কমিশন কিন্তু আবার বিভিন্ন কারেন্সি পেয়ারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম। সব কারেন্সি পেয়ার এর কমিশন এক না। যেমনঃ EURUSD কারেন্সি পেয়ারের কমিশনের সাথে GBPJPY এর কমিশন এক হবে না। তার কারন, একেক কারেন্সি পেয়ারের "পিপস" ভ্যালু একেক রকম। কারেন্সি পেয়ার এবং পিপস কি বিস্তারিত নিচে দেখুন
Low Spread ব্রোকারের একাউন্ট করুন এখান থেকে ঃ https://goo.gl/5eey5B
অবশ্যই খেয়াল রাখবেন, Trading Platform Type যাহাতে "MT4" হয়, আর Account Type যাহাতে "Standard (1 Lot=100000) হয়।
৩) লট,পিপস,মারজিন,লেবারেজ, কারেন্সি পেয়ার, বায়-সেল কি?
উত্তরঃ প্রথমেই আসি "লট" কি? লট হচ্ছে ট্রেড সাইজ। মানে এককথায় কত ডলারের ট্রেড খুলবেন। লট'কে আমরা ৩ ভাগে ভাগ করতে পারি। এক, Micro (1 Lot =1000), দু্ই, Mini (1 Lot=10000) এবং তিন, Standard (1 Lot=100000) । মানে সরাসরি যদি বলি ১ মাইক্রো লট মানে হচ্ছে $0.01 এর একটা ট্রেড খোলা, ১ মিনি লট মানে হচ্ছে $0.10 এর একটা ট্রেড খোলা, আর ১ স্ট্যান্ডার্ড লট এর মানে হচ্ছে $1 এর একটা ট্রেড খোলা।
"পিপস"ঃ পিপস হচ্ছে একটা কারেন্সি পেয়ারের এক্সচেঞ্জ ভ্যালু। উদাহরনস্বরুপ ধরুন একটা কারেন্সি পেয়ারের এক্সচেঞ্জ রেট 1.00000 দশমিকের পরের ৪ টি সংখ্যাগুলিই হচ্ছে পিপস আর ৫ম সংখ্যাটিকে বলা হয় পিপেটিপস। এখন যদি 1.00000 থেকে 1.00010 হয় তাহলে বুঝতে হবে এখানে 1 পিপস বেড়েছে। অথবা যদি 1.00000 থেকে 0.99990 হয় তাহলে বুঝতে হবে এখানে 1 পিপস কমেছে। দশমিকের পরের ৫ম সংখ্যাটি বাড়া বা কমার ফলেই দশমিকের পরের ৪টি সংখ্যাগুলি পরিবর্তিত হয়। ৫ম সংখাটিকে আপনারা ঘড়ির কাঁটার সেকেন্ডের সাথে কল্পনা করুন আর ৪টি সংখ্যাগুলোকে ঘড়ির কাঁটার মিনিট হিসেবে ভাবুন। সেকেন্ড এর কাঁটা বাড়লে মিনিট বারবে আরে সেকেন্ড এর কাঁটা কমলে মিনিট ও কমবে।
সব কারেন্সি পেয়ার এর পিপস ভ্যালু এক না। বিভিন্ন কারেন্সি পেয়ার এর পিপস ভ্যালু বিভিন্ন। GBPJPY এর পিপস ভ্যালু GBPUSD এর পিপস ভ্যালু এক না। আর এই পিপস হিসেবেই ব্রোকার কমিশন নিয়ে থাকে। যেমন, কেউ যদি GBPJPY এ একটা বায়/সেল ট্রেড করলো, আর তার ব্রোকার সেই ট্রেডের জন্যে তার থেকে ৩ পিপ্স কমিশন চার্জ করলো। অর্থাৎ ওই ৩ পিপসের সমপরিমান ডলার মাইনাস হিসেবে দেখাবে ট্রেডে। ব্রোকার ভেদে একই পেয়ারে কমিশন বিভিন্ন। তাই সবসময় Low Spread ব্রোকার সিলেক্ট করতে হয়।
কারেন্সি পেয়ারঃ এতক্ষনতো অনেক কারেন্সি পেয়ার শব্দটার নাম শুনলেন, এই কারেন্সি পেয়ারটা আসলে কি? কারেন্সি পেয়ার হচ্ছে, পৃথিবীতে যত্তগুলো কারেন্সি আছে তার সবগুলো মিলিয়ে কারেন্সি পেয়ার বা জোড়া বানানো হয়েছে। যেমন- GBPJPY GBPUSD GBPAUD ইত্যাদি
GBP- Great Britain Pound, JPY- Japanese Yen,
USD- United State Dollar, AUD- Australian Dollar
এখন একটা অতিগুরুত্বপুর্ন বিষয় আলোচনা করবো, আর তা হচ্ছে "মারজিন" এবং "লেবারেজ"। মারজিন এবং লেবারেজ একে অপরের সঙ্গে জড়িত। লেবারেজ ঠিক করে দেয় ট্রেডের মারজিন কত হতে হবে। আর "মারজিন' মানে হচ্ছে এককথায়, সর্বনিম্ন এমাউন্ট যা না হলে একটা ট্রেড ওপেন করা যাবে না। যতবেশি পরিমান "লেবারেজ" পয়েন্ট সেট করবেন তত কম "মারজিন" এমাউন্ট লাগবে। ধরুন, আপনার একাউন্ট লেবারেজ 1:1000। এর মানে হচ্ছে আপনি আপনার একাউন্টে $1 থাকলেই 1 Standard Lot এ একটা ট্রেড ওপেন করতে পারবেন। আহ!! লাভ। না লাভ না। লস। কেন? আপনি ট্রেড ওপেন করলেন ঠিকই কিন্তু ট্রেড আপনার বিপরীতে ১ পিপস উঠানামা করলেই আপনার ট্রেড মারজিনের সমান হওয়ার কারনে অটোমেটিক্যালি ট্রেড ক্লোজড হয়ে যাবে আর আপনার সব ডলার নাই হয়ে যাবে!!! :D তাই হাই লেবারেজে কখনই ট্রেড করবেন না। একাউন্ট লেবারেজ অবশ্যই 1:300 এর বেশি সেট করবেন না।
বায়-সেলঃ বায়-সেল দিয়েই ট্রেড করা হয়। একটা কারেন্সি পেয়ারের প্রাইস উর্দ্বমুখি হবে নাকি নিম্নমুখি হবে তা নির্নয় করেই ট্রেড করা হয়। আপনার যদি মনে হয় "প্রাইস উর্দ্বমুখি হবে" তাহলে "বায়" দিবেন। আর যদি মনে হয় "নিম্নমুখি হবে" তাহলে "সেল" দিবেন। পিপস ভ্যালু দিয়েই আপনার প্রফিট-লস কাউন্ট হবে।
৪) কিভাবে ট্রেড করবেন? কোন পেয়ারে ট্রেড করবেন?
জানার জন্যে এই ভিডিওটি দেখুনঃ https://youtu.be/16ePUJRnhnY
১) ফরেক্স কি?
উত্তরঃ ফরেন এক্সচেইঞ্জ (Foreign Exchange) এর সংক্ষিপ্তরুপ হচ্ছে ফরেক্স। ফরেক্স ট্রেডিং এ আমরা ফরেন কারেন্সি কেনা-বেচা করবো অনলাইনে।
২) ফরেক্স ট্রেডিং করতে কি কি লাগবে?
উত্তরঃ ফরেক্স ট্রেডিং করতে হলে, প্রথমেই একটা ব্রোকার এর আন্ডার এ আপনাকে একটা একাউন্ট করতে হবে। একাউন্ট অবশ্যই ভেরিফাইড করে নিতে হবে। একাউন্ট ভেরিফিকেশন এর জন্যে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড এর স্ক্যান কপি এবং এড্রেস ভেরিফিকেশনের জন্যে বিদ্যুৎ বিল অথবা ব্যাংক স্টেট্মেন্ট এর স্ক্যান কপি লাগবে। বিদ্যুৎ বিল অথবা ব্যাংক স্টেট্মেন্ট অবশ্যই একাউন্ট যার নামে করা হবে তার নামে থাকতে হবে। যদি নিজের নামে বিদ্যুৎ বিল অথবা ব্যাংক স্টেট্মেন্ট না থাকে তাহলে বাবা-মা-ভাই-বোন যার নামে বিদ্যুৎ বিল অথবা ব্যাংক স্টেট্মেন্ট আছে তার নামেও একাউন্ট করা যাবে। একাউন্ট ভেরিফাই না করলে ট্রেড করা যাবে থিকই কিন্তু ডলার উইথড্র দেয়া যাবে না।
দ্বিতীয়ত লাগবে, একটা পিসি অথবা ল্যাপটপ। চাইলেই আপনি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইল দিয়েও ট্রেড করতে পারেন কিন্তু ট্রেড করার আগে যে একটু এনালাইসিস করতে হয় তা আপনি মোবাইলে করতে পারবেন না। আপনাকে ল্যাপটপ বা পিসি'র সাহায্য নিতেই হবে। আর লাগবে "MT4" trading software যা আপনি আপনার ব্রোকারের ওয়েব পেজ থেকে ডাউনলোড দিয়ে ইনস্টল করে নিবেন। এন্ড্রয়েড এর জন্যে গুগল এপস এই পাবেন। তারপর, ইনস্টল দিয়ে আপনার ইমেইল-এ আপনার ব্রোকারের পাঠানো লগইন ডিটেইলস দিয়ে লগইন করে ফেলুন।
একটা ব্রোকার এর আন্ডার এ একাউন্ট করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে, ব্রোকারটি যেন Low Spread ব্রোকার হয়। Low Spread মানে হচ্ছে যে ব্রোকার আপনার থেকে সর্বনিম্ন পরিমান কমিশন নিয়ে থাকে প্রতি ট্রেডে। ব্রোকার ভেদে কমিশন কম-বেশি হয়ে থাকে। একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন, একটা ব্রোকারের লাভ হয় আপনার থেকে কমিশন নিয়ে। আর সেটা সে নিয়ে থাকে "পিপস" হিসেবে। উদাহরনস্বরুপঃ আপনি একটা কারেন্সি পেয়ার এ ট্রেড করলেন, বায়/সেল যেকোন একটা দিলেন, খেয়াল করবেন ট্রেডটা শুরুই হয় মাইনাস ব্যালান্স দিয়ে, আর ওইটাই ব্রোকার আপনার থেকে অগ্রিম নিয়ে নেয়, আপনি লাভ করুন বা নাই করুন। কমিশন কিন্তু আবার বিভিন্ন কারেন্সি পেয়ারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম। সব কারেন্সি পেয়ার এর কমিশন এক না। যেমনঃ EURUSD কারেন্সি পেয়ারের কমিশনের সাথে GBPJPY এর কমিশন এক হবে না। তার কারন, একেক কারেন্সি পেয়ারের "পিপস" ভ্যালু একেক রকম। কারেন্সি পেয়ার এবং পিপস কি বিস্তারিত নিচে দেখুন
Low Spread ব্রোকারের একাউন্ট করুন এখান থেকে ঃ https://goo.gl/5eey5B
অবশ্যই খেয়াল রাখবেন, Trading Platform Type যাহাতে "MT4" হয়, আর Account Type যাহাতে "Standard (1 Lot=100000) হয়।
৩) লট,পিপস,মারজিন,লেবারেজ, কারেন্সি পেয়ার, বায়-সেল কি?
উত্তরঃ প্রথমেই আসি "লট" কি? লট হচ্ছে ট্রেড সাইজ। মানে এককথায় কত ডলারের ট্রেড খুলবেন। লট'কে আমরা ৩ ভাগে ভাগ করতে পারি। এক, Micro (1 Lot =1000), দু্ই, Mini (1 Lot=10000) এবং তিন, Standard (1 Lot=100000) । মানে সরাসরি যদি বলি ১ মাইক্রো লট মানে হচ্ছে $0.01 এর একটা ট্রেড খোলা, ১ মিনি লট মানে হচ্ছে $0.10 এর একটা ট্রেড খোলা, আর ১ স্ট্যান্ডার্ড লট এর মানে হচ্ছে $1 এর একটা ট্রেড খোলা।
"পিপস"ঃ পিপস হচ্ছে একটা কারেন্সি পেয়ারের এক্সচেঞ্জ ভ্যালু। উদাহরনস্বরুপ ধরুন একটা কারেন্সি পেয়ারের এক্সচেঞ্জ রেট 1.00000 দশমিকের পরের ৪ টি সংখ্যাগুলিই হচ্ছে পিপস আর ৫ম সংখ্যাটিকে বলা হয় পিপেটিপস। এখন যদি 1.00000 থেকে 1.00010 হয় তাহলে বুঝতে হবে এখানে 1 পিপস বেড়েছে। অথবা যদি 1.00000 থেকে 0.99990 হয় তাহলে বুঝতে হবে এখানে 1 পিপস কমেছে। দশমিকের পরের ৫ম সংখ্যাটি বাড়া বা কমার ফলেই দশমিকের পরের ৪টি সংখ্যাগুলি পরিবর্তিত হয়। ৫ম সংখাটিকে আপনারা ঘড়ির কাঁটার সেকেন্ডের সাথে কল্পনা করুন আর ৪টি সংখ্যাগুলোকে ঘড়ির কাঁটার মিনিট হিসেবে ভাবুন। সেকেন্ড এর কাঁটা বাড়লে মিনিট বারবে আরে সেকেন্ড এর কাঁটা কমলে মিনিট ও কমবে।
সব কারেন্সি পেয়ার এর পিপস ভ্যালু এক না। বিভিন্ন কারেন্সি পেয়ার এর পিপস ভ্যালু বিভিন্ন। GBPJPY এর পিপস ভ্যালু GBPUSD এর পিপস ভ্যালু এক না। আর এই পিপস হিসেবেই ব্রোকার কমিশন নিয়ে থাকে। যেমন, কেউ যদি GBPJPY এ একটা বায়/সেল ট্রেড করলো, আর তার ব্রোকার সেই ট্রেডের জন্যে তার থেকে ৩ পিপ্স কমিশন চার্জ করলো। অর্থাৎ ওই ৩ পিপসের সমপরিমান ডলার মাইনাস হিসেবে দেখাবে ট্রেডে। ব্রোকার ভেদে একই পেয়ারে কমিশন বিভিন্ন। তাই সবসময় Low Spread ব্রোকার সিলেক্ট করতে হয়।
কারেন্সি পেয়ারঃ এতক্ষনতো অনেক কারেন্সি পেয়ার শব্দটার নাম শুনলেন, এই কারেন্সি পেয়ারটা আসলে কি? কারেন্সি পেয়ার হচ্ছে, পৃথিবীতে যত্তগুলো কারেন্সি আছে তার সবগুলো মিলিয়ে কারেন্সি পেয়ার বা জোড়া বানানো হয়েছে। যেমন- GBPJPY GBPUSD GBPAUD ইত্যাদি
GBP- Great Britain Pound, JPY- Japanese Yen,
USD- United State Dollar, AUD- Australian Dollar
এখন একটা অতিগুরুত্বপুর্ন বিষয় আলোচনা করবো, আর তা হচ্ছে "মারজিন" এবং "লেবারেজ"। মারজিন এবং লেবারেজ একে অপরের সঙ্গে জড়িত। লেবারেজ ঠিক করে দেয় ট্রেডের মারজিন কত হতে হবে। আর "মারজিন' মানে হচ্ছে এককথায়, সর্বনিম্ন এমাউন্ট যা না হলে একটা ট্রেড ওপেন করা যাবে না। যতবেশি পরিমান "লেবারেজ" পয়েন্ট সেট করবেন তত কম "মারজিন" এমাউন্ট লাগবে। ধরুন, আপনার একাউন্ট লেবারেজ 1:1000। এর মানে হচ্ছে আপনি আপনার একাউন্টে $1 থাকলেই 1 Standard Lot এ একটা ট্রেড ওপেন করতে পারবেন। আহ!! লাভ। না লাভ না। লস। কেন? আপনি ট্রেড ওপেন করলেন ঠিকই কিন্তু ট্রেড আপনার বিপরীতে ১ পিপস উঠানামা করলেই আপনার ট্রেড মারজিনের সমান হওয়ার কারনে অটোমেটিক্যালি ট্রেড ক্লোজড হয়ে যাবে আর আপনার সব ডলার নাই হয়ে যাবে!!! :D তাই হাই লেবারেজে কখনই ট্রেড করবেন না। একাউন্ট লেবারেজ অবশ্যই 1:300 এর বেশি সেট করবেন না।
বায়-সেলঃ বায়-সেল দিয়েই ট্রেড করা হয়। একটা কারেন্সি পেয়ারের প্রাইস উর্দ্বমুখি হবে নাকি নিম্নমুখি হবে তা নির্নয় করেই ট্রেড করা হয়। আপনার যদি মনে হয় "প্রাইস উর্দ্বমুখি হবে" তাহলে "বায়" দিবেন। আর যদি মনে হয় "নিম্নমুখি হবে" তাহলে "সেল" দিবেন। পিপস ভ্যালু দিয়েই আপনার প্রফিট-লস কাউন্ট হবে।
৪) কিভাবে ট্রেড করবেন? কোন পেয়ারে ট্রেড করবেন?
জানার জন্যে এই ভিডিওটি দেখুনঃ https://youtu.be/16ePUJRnhnY



শুভেচ্ছা জানাচ্ছি,
ReplyDeleteআমার নাম হেমা, ইন্সটাফরেক্স কোম্পানির পার্টনার ম্যানেজার।
আমরা আপনাকে প্রস্তাব জানাতে চাই ইন্সটাফরেক্স পার্টনার প্রোগ্রামে যেখানে আপনি কমিশন পাবেন আপনার প্রতিটা গ্রাহক থেকে। গ্রাহকদের থেকে প্রাপ্ত কমিশন আপনার অ্যাকাউন্ট এ জমা হয়ে যাবে যেটা আপনি সহজেই উত্তোলন করতে পাড়বেন। এর জন্য আপনাকে কোন ইনভেস্ট বা ট্রেড করতে হবে না ।
আপনি যদি আগ্রহী হন অথবা যদি কোন প্রশ্ন থাকে নিঃসংকোচে আমার সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা কৃতার্থ হব আমাদের পরস্পরের লাভ সম্পর্কে আলোচনা করতে । আমাদের এই প্রস্তাব সম্পর্কে আপনার মতামত অবশ্যই আমাকে জানাবেন।
ধন্যবাদ। অপেক্ষা করছি আপনার আগ্রহ সম্পর্কে জানতে।